ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফেনীর পরশুরামে পুলিশি হয়রানির প্রতিবাদে সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ।

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১২:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০১৯ ২০৭ বার পড়া হয়েছে

২ জুন ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম ,

সৈয়দ কামাল,ফেনী থেকেঃফেনীর পরশুরাম থানার পুলিশি হয়রানির প্রতিবাদে রবিবার ২ জুন সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ফেনী-পরশুরাম সড়ক অবরোধ অব্যাহত রাখেন সিএনজি অটোরিক্সা চালক শ্রমিকরা। এতে ফেনী-পরশুরাম সড়কে বাসসহ সকল যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

জানা গেছে রবিবার সকাল ৯ টা থেকে উপজেলায় বিভিন্ন সড়কে সিএনজি বন্ধ রেখে চালক ও শ্রমিকরা পরশুরাম বাজারের ডাকবাংলা মোড়ে সড়ক অবরোধে অংশ নেয়। এই সময় শ্রমিকরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে গাছের গুড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করে রাখে। এসময় অবরোধকারীরা পরশুরাম থানার ওসি (তদন্ত) খালেদ হোসেন এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়। অবরোধের কারনে শত শত যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চালকদের অভিযোগ থানা পুলিশকে মাসে সিএনজি প্রতি ২০০ (দুইশত) টাকা করে টোকেন মানি দেওয়ার পরও গত শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ করে অভিযান চালিয়ে পরশুরাম থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মু.খালেদ হোসেন সাতটি সিএনজি থানায় নিয়ে আটকে রাখেন।সিএনজির বিরুদ্ধে মামলা না দিয়ে বিনা অজুহাতে থানায় দুইদিন ধরে আটকে রাখে এবং চালকদের কে মারধর ও গালিগালাজ করে।শুক্রবার থেকে সিএনজি ষ্টেশনে দফায় দফায় অভিযান চালায় সিএনজি চালকদেরকে ভয়ভীতি দেখায়।

পরশুরাম থানার ওসি মো শওকত হোসেন জানান নিয়ম ভঙ্গ করায় সাতটি সিএনজি আটক করা হয়েছে। আটকৃত সিএনজি গুলি অনটেষ্ট, তাই আটকে রাখা হয়েছে।
সিএনজি মালিক সমিতির নেতারা জানান আটককৃত সিএনজি ছাড়িয়ে আনতে গত শুক্রবার রাত ১২টার দিকে পরশুরাম পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সাজেলকে নিয়ে থানায় গেলে থানার ওসি মো শওকত হোসেনের সাথে ওসি তদন্ত খালেদ হোসেন প্রকাশ্যে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে যায়। এদিকে
শ্রমিকদের অবরোধ ১২টা পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সিএনজি শ্রমিক কল্যান সমিতির সভাপতি মো বাদল জানান শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ অভিযান চালিয়ে পুলিশ সাতটি সিএনজি থানায় নিয়ে যায়।এছাড়া সিএনজির বিরুদ্ধে মামলা না দিয়ে বিনা কারনে থানায় আটকে রাখে।শুক্রবার রাতে ওসি শওকত হোসেন ও পরশুরাম পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন সাজেল ভাই অনুরোধ করার পরও ওসি তদন্ত খালেদ হোসেন সিএনজি না ছেড়ে ওসির সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে ।
আটককৃত সিএনজি চালকরা অভিযোগ করেন, ঈদ উপলক্ষে তারা বাড়তি রোজগারের আশায় ছিলেন। কিন্তু গত দুইদিন ধরে সিএনজি গুলি থানায় আটকে রেখেছে।

পরশুরাম থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)মু খালেদ হোসেনের নাম্বারে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

ট্যাগস :

ফেনীর পরশুরামে পুলিশি হয়রানির প্রতিবাদে সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ।

আপডেট সময় : ১২:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০১৯

২ জুন ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম ,

সৈয়দ কামাল,ফেনী থেকেঃফেনীর পরশুরাম থানার পুলিশি হয়রানির প্রতিবাদে রবিবার ২ জুন সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ফেনী-পরশুরাম সড়ক অবরোধ অব্যাহত রাখেন সিএনজি অটোরিক্সা চালক শ্রমিকরা। এতে ফেনী-পরশুরাম সড়কে বাসসহ সকল যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

জানা গেছে রবিবার সকাল ৯ টা থেকে উপজেলায় বিভিন্ন সড়কে সিএনজি বন্ধ রেখে চালক ও শ্রমিকরা পরশুরাম বাজারের ডাকবাংলা মোড়ে সড়ক অবরোধে অংশ নেয়। এই সময় শ্রমিকরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে গাছের গুড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করে রাখে। এসময় অবরোধকারীরা পরশুরাম থানার ওসি (তদন্ত) খালেদ হোসেন এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়। অবরোধের কারনে শত শত যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চালকদের অভিযোগ থানা পুলিশকে মাসে সিএনজি প্রতি ২০০ (দুইশত) টাকা করে টোকেন মানি দেওয়ার পরও গত শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ করে অভিযান চালিয়ে পরশুরাম থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মু.খালেদ হোসেন সাতটি সিএনজি থানায় নিয়ে আটকে রাখেন।সিএনজির বিরুদ্ধে মামলা না দিয়ে বিনা অজুহাতে থানায় দুইদিন ধরে আটকে রাখে এবং চালকদের কে মারধর ও গালিগালাজ করে।শুক্রবার থেকে সিএনজি ষ্টেশনে দফায় দফায় অভিযান চালায় সিএনজি চালকদেরকে ভয়ভীতি দেখায়।

পরশুরাম থানার ওসি মো শওকত হোসেন জানান নিয়ম ভঙ্গ করায় সাতটি সিএনজি আটক করা হয়েছে। আটকৃত সিএনজি গুলি অনটেষ্ট, তাই আটকে রাখা হয়েছে।
সিএনজি মালিক সমিতির নেতারা জানান আটককৃত সিএনজি ছাড়িয়ে আনতে গত শুক্রবার রাত ১২টার দিকে পরশুরাম পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সাজেলকে নিয়ে থানায় গেলে থানার ওসি মো শওকত হোসেনের সাথে ওসি তদন্ত খালেদ হোসেন প্রকাশ্যে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে যায়। এদিকে
শ্রমিকদের অবরোধ ১২টা পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সিএনজি শ্রমিক কল্যান সমিতির সভাপতি মো বাদল জানান শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ অভিযান চালিয়ে পুলিশ সাতটি সিএনজি থানায় নিয়ে যায়।এছাড়া সিএনজির বিরুদ্ধে মামলা না দিয়ে বিনা কারনে থানায় আটকে রাখে।শুক্রবার রাতে ওসি শওকত হোসেন ও পরশুরাম পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন সাজেল ভাই অনুরোধ করার পরও ওসি তদন্ত খালেদ হোসেন সিএনজি না ছেড়ে ওসির সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে ।
আটককৃত সিএনজি চালকরা অভিযোগ করেন, ঈদ উপলক্ষে তারা বাড়তি রোজগারের আশায় ছিলেন। কিন্তু গত দুইদিন ধরে সিএনজি গুলি থানায় আটকে রেখেছে।

পরশুরাম থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)মু খালেদ হোসেনের নাম্বারে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।