ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দুই সিটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হবে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৪:৫২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ২৩০ বার পড়া হয়েছে

১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, আজকের মেঘনা ডটকম, নাজমা আক্তার :

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি তাপসসহ আওয়ামী লীগের মনোনীত কাউন্সিলর ও নারী কাউন্সিলর প্রার্থীদের ভোট দিয়েছি। আশা করি, দুই সিটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হবে ইনশা আল্লাহ।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর সিটি কলেজে ভোট দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সকালে ভোটগ্রহণ শুরুর পরই আওয়ামী লীগ সভাপতি ধানমণ্ডির সিটি কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার ফজলে নুর তাপস।

ভোটপ্রদান শেষে শেখ হাসিনা বলেন, ইভিএমের মাধ্যমে ভোট দিলাম। খুব অল্প সময়ে সহজেই ভোট দিতে পেরেছি। ভোটের বুথে পুরো মেশিন দেখানো হলো সব দলের এজেন্টদের সামনে। দেখা গেল এটি ফাঁকা। আমার আইডি কার্ড দেখল। এরপর আমাকে ভোট দিতে দেওয়া হলো। প্রধানমন্ত্রী দুই সিটির ভোটারদের সুশৃঙ্খলভাবে, নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার আহ্বান জানান।

ইভিএম নিয়ে বিএনপির শঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শেখ হাসিনা বলেন, ইভিএম হলো ডিজিটাল পদ্ধতি। এখানে ভোট জালিয়াতির কোনো সুযোগ নেই। বিএনপি এসব নিয়ে আপত্তি করতে পারে। বিএনপির চরিত্রই এমন। এ দেশে ভোট চুরি শুরু করেছে তারা। কিন্তু ইভিএমে চুরির কোনো সুযোগ নেই। সে জন্যই তাদের আপত্তি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার প্রতি আহ্বান জানাই, নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন। আমার ভোট আমি দেব, যাকে পছন্দ তাকে দেব। সুশৃঙ্খলভাবে, নির্ভয়ে ভোট দিন। কেউ যেন ভোটের দিন কোনো রকম গন্ডগোল করতে না পারে। প্রত্যেকেই নিজের ভোট দিতে পারে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, অনেক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা গণতান্ত্রিক অধিকার পেয়েছি। আজ আমরা উন্নয়নের এক মহাসড়কে উঠতে পেরেছি। ইনশা আল্লাহ বাংলাদেশ জাতির পিতার সোনার বাংলায় পরিণত হবে। বাংলাদেশকে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।

বিভিন্ন দূতাবাস ও বিদেশি মিশনের পর্যবেক্ষকের তালিকায় ওই সব দূতাবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের নাম দেওয়ার ঘটনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এর কঠোর সমালোচনা করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বিভিন্ন দূতাবাসে বাংলাদেশি যাঁরা চাকরি করেন, তাদের বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তারা অত্যন্ত গর্হিত কাজ করেছেন। বিদেশি পর্যবেক্ষক বিদেশি হতে হবে। এটা তাঁরা ঠিক করেননি। যারা দূতাবাসের বাংলাদেশ কর্মকর্তা, তারা নিজেদের ভোট দিন, কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু তারা কীভাবে বিদেশি পর্যবেক্ষক হবেন?

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশি চাকরিজীবীদের মধ্যে অনেক ধরনের বৈরী লোকও আছে। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের আত্মীয়, জাতির পিতা হত্যার সঙ্গে জড়িতদের আত্মীয়স্বজন আছে। যুদ্ধাপরাধীদের উত্তরসূরি আছে এদের মধ্যে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

ট্যাগস :

দুই সিটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৫২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২০

১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, আজকের মেঘনা ডটকম, নাজমা আক্তার :

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি তাপসসহ আওয়ামী লীগের মনোনীত কাউন্সিলর ও নারী কাউন্সিলর প্রার্থীদের ভোট দিয়েছি। আশা করি, দুই সিটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হবে ইনশা আল্লাহ।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর সিটি কলেজে ভোট দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সকালে ভোটগ্রহণ শুরুর পরই আওয়ামী লীগ সভাপতি ধানমণ্ডির সিটি কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার ফজলে নুর তাপস।

ভোটপ্রদান শেষে শেখ হাসিনা বলেন, ইভিএমের মাধ্যমে ভোট দিলাম। খুব অল্প সময়ে সহজেই ভোট দিতে পেরেছি। ভোটের বুথে পুরো মেশিন দেখানো হলো সব দলের এজেন্টদের সামনে। দেখা গেল এটি ফাঁকা। আমার আইডি কার্ড দেখল। এরপর আমাকে ভোট দিতে দেওয়া হলো। প্রধানমন্ত্রী দুই সিটির ভোটারদের সুশৃঙ্খলভাবে, নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার আহ্বান জানান।

ইভিএম নিয়ে বিএনপির শঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শেখ হাসিনা বলেন, ইভিএম হলো ডিজিটাল পদ্ধতি। এখানে ভোট জালিয়াতির কোনো সুযোগ নেই। বিএনপি এসব নিয়ে আপত্তি করতে পারে। বিএনপির চরিত্রই এমন। এ দেশে ভোট চুরি শুরু করেছে তারা। কিন্তু ইভিএমে চুরির কোনো সুযোগ নেই। সে জন্যই তাদের আপত্তি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার প্রতি আহ্বান জানাই, নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন। আমার ভোট আমি দেব, যাকে পছন্দ তাকে দেব। সুশৃঙ্খলভাবে, নির্ভয়ে ভোট দিন। কেউ যেন ভোটের দিন কোনো রকম গন্ডগোল করতে না পারে। প্রত্যেকেই নিজের ভোট দিতে পারে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, অনেক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা গণতান্ত্রিক অধিকার পেয়েছি। আজ আমরা উন্নয়নের এক মহাসড়কে উঠতে পেরেছি। ইনশা আল্লাহ বাংলাদেশ জাতির পিতার সোনার বাংলায় পরিণত হবে। বাংলাদেশকে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।

বিভিন্ন দূতাবাস ও বিদেশি মিশনের পর্যবেক্ষকের তালিকায় ওই সব দূতাবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের নাম দেওয়ার ঘটনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এর কঠোর সমালোচনা করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বিভিন্ন দূতাবাসে বাংলাদেশি যাঁরা চাকরি করেন, তাদের বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তারা অত্যন্ত গর্হিত কাজ করেছেন। বিদেশি পর্যবেক্ষক বিদেশি হতে হবে। এটা তাঁরা ঠিক করেননি। যারা দূতাবাসের বাংলাদেশ কর্মকর্তা, তারা নিজেদের ভোট দিন, কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু তারা কীভাবে বিদেশি পর্যবেক্ষক হবেন?

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশি চাকরিজীবীদের মধ্যে অনেক ধরনের বৈরী লোকও আছে। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের আত্মীয়, জাতির পিতা হত্যার সঙ্গে জড়িতদের আত্মীয়স্বজন আছে। যুদ্ধাপরাধীদের উত্তরসূরি আছে এদের মধ্যে।