ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

করোনা চিকিৎসায় সফল অ্যাভিগান, জাপানি প্রতিষ্ঠানের দাবি

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, আজকের মেঘনা ডটকম, ডেস্ক রিপোর্ট :

নভেল করোনাভাইরাসজনিত কোভিড-১৯ রোগীদের দ্রুত সেরে উঠতে সহায়তা করছে ইনফ্লুয়েঞ্জার ওষুধ অ্যাভিগান। রোগীদের ওপর তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা শেষে এ দাবি করছে ওষুধটির প্রস্তুতকারক জাপানি প্রতিষ্ঠান।

সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, ফুজিফিল্ম টোয়ামা কেমিক্যাল নামের জাপানি কোম্পানিটি সরকারের কাছে করোনা চিকিৎসায় অ্যাভিগান ওষুধটি ব্যবহারের অনুমতি চাইবে।

এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় জাপানের ১৫৬ জন রোগীর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে তারা। এতে দেখা যায়, অ্যাভিগান ওষুধটি ব্যবহার করে রোগীরা গড়ে ১১ দশমিক ৯ দিনে সুস্থ হয়ে উঠছেন, যেখানে প্লাসেবো ব্যবহার করে সেরে উঠতে সময় লাগে ১৪ দশমিক ৭ দিন।

এখন পরীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিস্তারিত বিশ্লেষণ করবে প্রতিষ্ঠানটির গবেষকরা।

তবে, ওষুধটি এখনই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। জাপান সরকারের অনুমতি পাওয়ার পর তা উৎপাদন ও বাজারজাত করা হবে। ‘ফাভিপিরাভির’ নামে অ্যাভিগানের ওষুধটি ২০১৪ সালে সর্দি-কাশির ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল জাপান সরকার।

এর আগে করোনা মোকাবিলায় চীনেও সফলতা দেখিয়েছে অ্যাভিগান। এটি ব্যবহার করে রোগীরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছে, এমন খবর জানিয়েছিল চীনের সংবাদমাধ্যমগুলো। এ কারণে ওষুধটি নিয়ে শুরু থেকেই আশাবাদী ছিল জাপান সরকার। পরীক্ষায় সফল হলে বিভিন্ন দেশকে ওষুধটি বিনামূল্যে দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছিলেন জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

ট্যাগস :

করোনা চিকিৎসায় সফল অ্যাভিগান, জাপানি প্রতিষ্ঠানের দাবি

আপডেট সময় : ০৪:৪২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, আজকের মেঘনা ডটকম, ডেস্ক রিপোর্ট :

নভেল করোনাভাইরাসজনিত কোভিড-১৯ রোগীদের দ্রুত সেরে উঠতে সহায়তা করছে ইনফ্লুয়েঞ্জার ওষুধ অ্যাভিগান। রোগীদের ওপর তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা শেষে এ দাবি করছে ওষুধটির প্রস্তুতকারক জাপানি প্রতিষ্ঠান।

সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, ফুজিফিল্ম টোয়ামা কেমিক্যাল নামের জাপানি কোম্পানিটি সরকারের কাছে করোনা চিকিৎসায় অ্যাভিগান ওষুধটি ব্যবহারের অনুমতি চাইবে।

এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় জাপানের ১৫৬ জন রোগীর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে তারা। এতে দেখা যায়, অ্যাভিগান ওষুধটি ব্যবহার করে রোগীরা গড়ে ১১ দশমিক ৯ দিনে সুস্থ হয়ে উঠছেন, যেখানে প্লাসেবো ব্যবহার করে সেরে উঠতে সময় লাগে ১৪ দশমিক ৭ দিন।

এখন পরীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিস্তারিত বিশ্লেষণ করবে প্রতিষ্ঠানটির গবেষকরা।

তবে, ওষুধটি এখনই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। জাপান সরকারের অনুমতি পাওয়ার পর তা উৎপাদন ও বাজারজাত করা হবে। ‘ফাভিপিরাভির’ নামে অ্যাভিগানের ওষুধটি ২০১৪ সালে সর্দি-কাশির ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল জাপান সরকার।

এর আগে করোনা মোকাবিলায় চীনেও সফলতা দেখিয়েছে অ্যাভিগান। এটি ব্যবহার করে রোগীরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছে, এমন খবর জানিয়েছিল চীনের সংবাদমাধ্যমগুলো। এ কারণে ওষুধটি নিয়ে শুরু থেকেই আশাবাদী ছিল জাপান সরকার। পরীক্ষায় সফল হলে বিভিন্ন দেশকে ওষুধটি বিনামূল্যে দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছিলেন জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে।