ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গ্রাম বাংলার ঐহিত্যবাহী লাঠিখেলা

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০ ১৫১ বার পড়া হয়েছে
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ  ঝিনাইদহের শৈলকুপায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল মনোমুগ্ধকর লাঠি খেলা। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলার আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে ছিল উৎসবের আমেজ।
কালের ক্রমে হারিয়ে যাওয়া এ লাঠি খেলা দেখতে ভীড় করে নানা বয়সের মানুষ। গ্রামীণ এ ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলাকে টিকিয়ে রাখতে দরকার প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা এমনটাই মনে করেন দর্শনার্থীরা।
কেউ হেটে আবার কেউবা ভ্যান বা মোটর সাইকেল যোগে সোমবার দুপুরের পর থেকে শৈলকুপার বড়দাহ গ্রামের হাইস্কুল মাঠে আসতে শুরু করেন।
উদ্দেশ্যে গ্রামীন ঐতিহ্য লাঠিখেলা দেখা। সুর্য পশ্চিম দিগন্তে একটু হেলে পরলেই শুরু হয় খেলা। ঢাক, ঢোল আর কাঁসার ঘন্টার শব্দে যেন চারপাশ উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বাদ্যের তালে নেচে নেচে লাঠি খেলে অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করে লাঠিয়ালরা। তারপরই চলে লাঠির কসরত।
প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাত থেকে নিজেকে রক্ষা ও তাকে আঘাত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন লাঠিয়ালরা। এসব দৃশ্য দেখে আগত দর্শকরাও করতালির মাধ্যমে উৎসাহ যোগায় খেলোয়াড়দের। হারিয়ে যাওয়া এই ঐতিহ্য বাচিয়ে রাখতে সরকারি পৃষ্টপোষকতার মাধ্যমে নিয়মিত আয়োজন করার দাবি দর্শকদের।
মানুষকে আনন্দ দিয়ে নিজে আনন্দ পাওয়ার জন্যই এ খেলা করেন বলে জানান অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়রা। সমাজ থেকে অন্যায় অপরাধ দুর করতে আর হারানো ঐতিহ্য ধরে রাখতেই এই আয়োজন বলে জানান আয়োজক ইবি ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও মির্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুজার গিফারী গাফফার। সোমবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা অবধি চলা এ লাঠিখেলায় ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ১০ টি লাঠিয়াল দল অংশগ্রহণ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

ট্যাগস :

ঝিনাইদহে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গ্রাম বাংলার ঐহিত্যবাহী লাঠিখেলা

আপডেট সময় : ১১:২৪:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ  ঝিনাইদহের শৈলকুপায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল মনোমুগ্ধকর লাঠি খেলা। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলার আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে ছিল উৎসবের আমেজ।
কালের ক্রমে হারিয়ে যাওয়া এ লাঠি খেলা দেখতে ভীড় করে নানা বয়সের মানুষ। গ্রামীণ এ ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলাকে টিকিয়ে রাখতে দরকার প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা এমনটাই মনে করেন দর্শনার্থীরা।
কেউ হেটে আবার কেউবা ভ্যান বা মোটর সাইকেল যোগে সোমবার দুপুরের পর থেকে শৈলকুপার বড়দাহ গ্রামের হাইস্কুল মাঠে আসতে শুরু করেন।
উদ্দেশ্যে গ্রামীন ঐতিহ্য লাঠিখেলা দেখা। সুর্য পশ্চিম দিগন্তে একটু হেলে পরলেই শুরু হয় খেলা। ঢাক, ঢোল আর কাঁসার ঘন্টার শব্দে যেন চারপাশ উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বাদ্যের তালে নেচে নেচে লাঠি খেলে অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করে লাঠিয়ালরা। তারপরই চলে লাঠির কসরত।
প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাত থেকে নিজেকে রক্ষা ও তাকে আঘাত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন লাঠিয়ালরা। এসব দৃশ্য দেখে আগত দর্শকরাও করতালির মাধ্যমে উৎসাহ যোগায় খেলোয়াড়দের। হারিয়ে যাওয়া এই ঐতিহ্য বাচিয়ে রাখতে সরকারি পৃষ্টপোষকতার মাধ্যমে নিয়মিত আয়োজন করার দাবি দর্শকদের।
মানুষকে আনন্দ দিয়ে নিজে আনন্দ পাওয়ার জন্যই এ খেলা করেন বলে জানান অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়রা। সমাজ থেকে অন্যায় অপরাধ দুর করতে আর হারানো ঐতিহ্য ধরে রাখতেই এই আয়োজন বলে জানান আয়োজক ইবি ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও মির্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুজার গিফারী গাফফার। সোমবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা অবধি চলা এ লাঠিখেলায় ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ১০ টি লাঠিয়াল দল অংশগ্রহণ করে।