ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পুলিশকে মারপিট, শ্রমিকলীগ সভাপতির স্ত্রী গ্রেফতার

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৫:০০:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২০ ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় রূপসা উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মফিজুল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার ওরফে বিউটিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে ওই ঘটনায় রূপসা থানায় দুটি মামলা করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, শুক্রবার দুপুরে ফাতেমা বেশ কয়েকটি ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের বহরে ৫০-৬০ জন নিয়ে খুলনা শহরে বউভাতের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। খানজাহান আলী (র.) সেতুর টোল প্লাজার ৬নং লেন দিয়ে তারা সিরিয়াল ভঙ্গ করে টোলের টাকা না দিয়ে পার হতে চান। টোলপ্লাজায় সিরিয়াল ভেঙে আগে যাওয়ার চেষ্টা করতে গাড়ি থেকে নামেন ফাতেমা আক্তার ও তার দুই ভাইপো আহমদ আলী শেখ ও মোহাম্মদ আলী শেখ এবং মনি গাজী নামের এক যুবক।
একপর্যায়ে ফাতেমা সেতুর নিরাপত্তারক্ষী রবিউলকে ধাক্কা দেন। অন্য একজন নিরাপত্তারক্ষী সেতুতে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যকে ডাকেন। পুলিশ সদস্য সাইদুর রহমান এগিয়ে গেলে তার সঙ্গে ফাতেমা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনিও সাইদুরকে ধাক্কা দেন ও মারধর করেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) টোলপ্লাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, টোলপ্লাজায় তিন জন পুলিশ দায়িত্বে ছিলেন। গাড়িবহর নিয়ে সিরিয়াল ভেঙে যাওয়ার জন্য নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে এক নারীর বাকবিতণ্ডা দেখে পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। এ সময় ওই নারী পুলিশ সদস্য সাইদুর রহমানকে আঘাত করেন।
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা জাকির হোসেন বলেন, রূপসায় পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় শুক্রবার রাতে পুলিশ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে থানায় দুটি মামলা করা হয়। দুটি মামলাতে অভিন্ন চার জনকে আসামি করা হয়েছে। ওই মামলায় ফাতেমা আক্তারকে গ্রেপতার দেখানো হয়েছে। অন্য আসামিদের ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

ট্যাগস :

পুলিশকে মারপিট, শ্রমিকলীগ সভাপতির স্ত্রী গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৫:০০:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২০

পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় রূপসা উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মফিজুল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার ওরফে বিউটিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে ওই ঘটনায় রূপসা থানায় দুটি মামলা করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, শুক্রবার দুপুরে ফাতেমা বেশ কয়েকটি ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের বহরে ৫০-৬০ জন নিয়ে খুলনা শহরে বউভাতের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। খানজাহান আলী (র.) সেতুর টোল প্লাজার ৬নং লেন দিয়ে তারা সিরিয়াল ভঙ্গ করে টোলের টাকা না দিয়ে পার হতে চান। টোলপ্লাজায় সিরিয়াল ভেঙে আগে যাওয়ার চেষ্টা করতে গাড়ি থেকে নামেন ফাতেমা আক্তার ও তার দুই ভাইপো আহমদ আলী শেখ ও মোহাম্মদ আলী শেখ এবং মনি গাজী নামের এক যুবক।
একপর্যায়ে ফাতেমা সেতুর নিরাপত্তারক্ষী রবিউলকে ধাক্কা দেন। অন্য একজন নিরাপত্তারক্ষী সেতুতে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যকে ডাকেন। পুলিশ সদস্য সাইদুর রহমান এগিয়ে গেলে তার সঙ্গে ফাতেমা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনিও সাইদুরকে ধাক্কা দেন ও মারধর করেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) টোলপ্লাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, টোলপ্লাজায় তিন জন পুলিশ দায়িত্বে ছিলেন। গাড়িবহর নিয়ে সিরিয়াল ভেঙে যাওয়ার জন্য নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে এক নারীর বাকবিতণ্ডা দেখে পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। এ সময় ওই নারী পুলিশ সদস্য সাইদুর রহমানকে আঘাত করেন।
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা জাকির হোসেন বলেন, রূপসায় পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় শুক্রবার রাতে পুলিশ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে থানায় দুটি মামলা করা হয়। দুটি মামলাতে অভিন্ন চার জনকে আসামি করা হয়েছে। ওই মামলায় ফাতেমা আক্তারকে গ্রেপতার দেখানো হয়েছে। অন্য আসামিদের ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে।