ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচন আজ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৫:২০:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২০ ১৪১ বার পড়া হয়েছে

মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচন আজ রোববার (৮ নভেম্বর)। দেশটির ৩ কোটি ৭০ লাখ মানুষ এতে ভোট দেবেন। ছোট বড় মিলিয়ে ৯০টি দল এতে অংশ নিচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন বাদেও রাজ্যগুলোতেও ভোট হবে এদিন।

বিশ্লেষকদের ধারণা, দেশব্যাপী রোহিঙ্গাবিরোধী জনমত গড়ে তুলে এবারও ক্ষমতায় আসতে পারেন অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি-এনএলডি।
প্রায় ৫০ বছর সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০১০ সালে গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করে মিয়ানমার। গৃহবন্দি অবস্থা থেকে মুক্তি পান দেশটির জনপ্রিয় নেত্রী সু চি।
সেনাবাহিনী তৎকালীন বার্মার ক্ষমতা দখল করে মূলত ১৯৬২ সালে। এরপর ১৯৯০ সালের ২৭ মে সামরিক শাসকদের তত্ত্বাবধানে মিয়ানমারে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে সু চি’র দল জয় পেলেও ২০১১ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনা করে সেনাবাহিনী। ২০০৮ সালে দেশটিতে সংবিধান গৃহীত হয়।
২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত হয় মিয়ানমারের সাধারণ নির্বাচন। ওই নির্বাচনে বড় জয় পায় সু চি’র দল ‘ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি’ (এনএলডি)। কিন্তু রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হন সু চি। এমনকি আন্তর্জাতিক আদালতে বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগও ওঠে শান্তিতে নোবেলজয়ী সু চি’র বিরুদ্ধে।
দেশটির ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে সেনাবাহিনীর শক্ত নিয়ন্ত্রণ থাকায় কখনোই বিতর্ক বন্ধ হয়নি মিয়ানমারকে ঘিরে। ২০১৭ সালে রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর অমানবিক নির্যাতনে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

ট্যাগস :

মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচন আজ

আপডেট সময় : ০৫:২০:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২০

মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচন আজ রোববার (৮ নভেম্বর)। দেশটির ৩ কোটি ৭০ লাখ মানুষ এতে ভোট দেবেন। ছোট বড় মিলিয়ে ৯০টি দল এতে অংশ নিচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন বাদেও রাজ্যগুলোতেও ভোট হবে এদিন।

বিশ্লেষকদের ধারণা, দেশব্যাপী রোহিঙ্গাবিরোধী জনমত গড়ে তুলে এবারও ক্ষমতায় আসতে পারেন অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি-এনএলডি।
প্রায় ৫০ বছর সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০১০ সালে গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করে মিয়ানমার। গৃহবন্দি অবস্থা থেকে মুক্তি পান দেশটির জনপ্রিয় নেত্রী সু চি।
সেনাবাহিনী তৎকালীন বার্মার ক্ষমতা দখল করে মূলত ১৯৬২ সালে। এরপর ১৯৯০ সালের ২৭ মে সামরিক শাসকদের তত্ত্বাবধানে মিয়ানমারে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে সু চি’র দল জয় পেলেও ২০১১ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনা করে সেনাবাহিনী। ২০০৮ সালে দেশটিতে সংবিধান গৃহীত হয়।
২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত হয় মিয়ানমারের সাধারণ নির্বাচন। ওই নির্বাচনে বড় জয় পায় সু চি’র দল ‘ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি’ (এনএলডি)। কিন্তু রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হন সু চি। এমনকি আন্তর্জাতিক আদালতে বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগও ওঠে শান্তিতে নোবেলজয়ী সু চি’র বিরুদ্ধে।
দেশটির ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে সেনাবাহিনীর শক্ত নিয়ন্ত্রণ থাকায় কখনোই বিতর্ক বন্ধ হয়নি মিয়ানমারকে ঘিরে। ২০১৭ সালে রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর অমানবিক নির্যাতনে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা।