ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘মানুষ করোনায় ক্লান্ত কিন্তু করোনা ক্লান্ত হয়নি’

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০২:৩২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর ২০২০ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

১১ নভেম্বর ২০২০, আজকের মেঘনা. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেডরস গেব্রিয়াসাস আধানম বলেছেন, করোনা মহামারি নিয়ে মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। তবে এরপরও সতর্ক থাকতে হবে। মঙ্গলবার প্যারিস পিস ফোরামে তিনি এ কথা বলেছেন।

গত ১১ মাসে করোনা মহামারিতে বিশ্বে ১২ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে সংক্রমণ বাড়ায় অনেক দেশেই ফের লকডাউন বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতি।

আধানম বলেছেন, ‘আমরা হয়তো কোভিড-১৯ নিয়ে ক্লান্ত। তবে এটি আমাদের নিয়ে ক্লান্ত নয়। ইউরোপীয় দেশগুলো লড়াই করছে। কিন্তু ভাইরাসে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি কিংবা এটি মোকাবিলায় খুব বেশি পদক্ষেপও নেওয়া যায়নি।’

করোনার চিকিৎসায় নিশ্চিত ওষুধ কিংবা ভাইরাসটি প্রতিরোধে পরীক্ষিত কোনো টিকা এখনও বাজারে আসেনি। তবে সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজার তাদের ট্রায়ালে থাকা টিকাকে ৯০ শতাংশ এবং রাশিয়ার গামেলিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের টিকা ৯২ শতাংশ কার্যকর বলে দাবি করা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের প্রথম দিকে টিকা বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

টিকার ব্যাপারে আধানম বলেছেন, ‘জরুরি ভিত্তিতে একটি টিকার প্রয়োজন। কিন্তু আমরা টিকার জন্য অপেক্ষা করতে পারি না এবং আমাদের সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখতে পারি না।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

ট্যাগস :

‘মানুষ করোনায় ক্লান্ত কিন্তু করোনা ক্লান্ত হয়নি’

আপডেট সময় : ০২:৩২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর ২০২০

১১ নভেম্বর ২০২০, আজকের মেঘনা. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেডরস গেব্রিয়াসাস আধানম বলেছেন, করোনা মহামারি নিয়ে মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। তবে এরপরও সতর্ক থাকতে হবে। মঙ্গলবার প্যারিস পিস ফোরামে তিনি এ কথা বলেছেন।

গত ১১ মাসে করোনা মহামারিতে বিশ্বে ১২ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে সংক্রমণ বাড়ায় অনেক দেশেই ফের লকডাউন বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতি।

আধানম বলেছেন, ‘আমরা হয়তো কোভিড-১৯ নিয়ে ক্লান্ত। তবে এটি আমাদের নিয়ে ক্লান্ত নয়। ইউরোপীয় দেশগুলো লড়াই করছে। কিন্তু ভাইরাসে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি কিংবা এটি মোকাবিলায় খুব বেশি পদক্ষেপও নেওয়া যায়নি।’

করোনার চিকিৎসায় নিশ্চিত ওষুধ কিংবা ভাইরাসটি প্রতিরোধে পরীক্ষিত কোনো টিকা এখনও বাজারে আসেনি। তবে সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজার তাদের ট্রায়ালে থাকা টিকাকে ৯০ শতাংশ এবং রাশিয়ার গামেলিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের টিকা ৯২ শতাংশ কার্যকর বলে দাবি করা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের প্রথম দিকে টিকা বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

টিকার ব্যাপারে আধানম বলেছেন, ‘জরুরি ভিত্তিতে একটি টিকার প্রয়োজন। কিন্তু আমরা টিকার জন্য অপেক্ষা করতে পারি না এবং আমাদের সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখতে পারি না।’