ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুন্সিগঞ্জে মালিকের ১৪লাখ টাকা নিয়ে ড্রাইভার পলাতক

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৫:২০:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ নভেম্বর ২০২০ ১৯৫ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুন্সিগঞ্জের দাশ নামের এক ব্যক্তির ব্যক্তিগত গাড়ি চালাতেন মোঃ সুরুজ মিয়া। বেশ অনেক দিন যাবৎ ই গাড়ি চালাতেন সুরুজ মিয়া।গত(২০/১১/২০) তারিখে আনুমানিক বিকেল ৪টার দিকে পাওলো দাশের গাড়ি থেকে ১৪ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়েছে তারই ব্যক্তিগত ড্রাইভার সুরুজ মিয়া। এ ঘঠনায় মালিক পাওলো দাশ পলাতক ড্রাইভার এর নামে পুলিশের কাছে অভিযোগ দাখিল করেন।

পলাতক ড্রাইভার সুরুজ মিয়া পরিবার নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২২ নং ওয়ার্ডের ৩০ (পুরাতন ৭৪৩) নাম্বার বাসায় থাকতেন।
মালিকের ১৪ লাখ টাকা নিয়ে পালানোর পর ঐ বাসাতে ও বাহির থেকে তালা ঝুলছে।

ভোক্তভোগী পাওলো দাশ বলেন- সুরুজ মিয়া অনেক দিন ধরেই আমার গাড়িতে ড্রাইভিং করতো। বিশ্বাস জন্ম নিয়েছিল তার উপর। ব্যবসায়ীক কাজে ১৪ লাখ টাকা গাড়িতেই রাখি। কিন্তু বিকেলের দিকে হঠাৎ দেখি ড্রাইভার ও নাই টাকা ও নাই। ড্রাইভারের নাম্বার বন্ধ। নারায়নগঞ্জের বাসা গিয়ে দেখি বাসা ও তালা দেয়া। পরে আমি পুলিশে খবর দেই। এবং থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাই। পুলিশ সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

ট্যাগস :

মুন্সিগঞ্জে মালিকের ১৪লাখ টাকা নিয়ে ড্রাইভার পলাতক

আপডেট সময় : ০৫:২০:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ নভেম্বর ২০২০

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুন্সিগঞ্জের দাশ নামের এক ব্যক্তির ব্যক্তিগত গাড়ি চালাতেন মোঃ সুরুজ মিয়া। বেশ অনেক দিন যাবৎ ই গাড়ি চালাতেন সুরুজ মিয়া।গত(২০/১১/২০) তারিখে আনুমানিক বিকেল ৪টার দিকে পাওলো দাশের গাড়ি থেকে ১৪ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়েছে তারই ব্যক্তিগত ড্রাইভার সুরুজ মিয়া। এ ঘঠনায় মালিক পাওলো দাশ পলাতক ড্রাইভার এর নামে পুলিশের কাছে অভিযোগ দাখিল করেন।

পলাতক ড্রাইভার সুরুজ মিয়া পরিবার নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২২ নং ওয়ার্ডের ৩০ (পুরাতন ৭৪৩) নাম্বার বাসায় থাকতেন।
মালিকের ১৪ লাখ টাকা নিয়ে পালানোর পর ঐ বাসাতে ও বাহির থেকে তালা ঝুলছে।

ভোক্তভোগী পাওলো দাশ বলেন- সুরুজ মিয়া অনেক দিন ধরেই আমার গাড়িতে ড্রাইভিং করতো। বিশ্বাস জন্ম নিয়েছিল তার উপর। ব্যবসায়ীক কাজে ১৪ লাখ টাকা গাড়িতেই রাখি। কিন্তু বিকেলের দিকে হঠাৎ দেখি ড্রাইভার ও নাই টাকা ও নাই। ড্রাইভারের নাম্বার বন্ধ। নারায়নগঞ্জের বাসা গিয়ে দেখি বাসা ও তালা দেয়া। পরে আমি পুলিশে খবর দেই। এবং থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাই। পুলিশ সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন।