ঢাকা ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পার্টি শেষে সিগারেট জ্বালিয়ে ঘুম, বৌভাতের দিনেই বরের মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১১:৩২:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

১৩ ডিসেম্বর ২০২০, আজকের মেঘনা. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

বৌভাতের সকালে মিললো বরের লাশ। শনিবার সকালে নিজের ঘর থেকে উদ্ধার হয় নীলাদ্রি চক্রবর্তী (২৬)-র দেহ। ঘটনাটি ঘটেছে নেতাজিনগর থানা এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানিয়েছে, গত ১০ ডিসেম্বর বিয়ে হয় নীলাদ্রির।

শুক্রবার গভীর রাত পর্যন্ত নিজের ঘরেই বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি চলে। শনিবার সকালে তার দেহ উদ্ধার হয় ওই ঘর থেকেই। ধোঁয়ায় ভরা ছিল ঘর। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সিগারেট ধরিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন ওই যুবক। সেখান থেকে কোনো ভাবে বালিশে আগুন লেগে ধোঁয়ায় ভর্তি হয়ে যায় ঘর। বন্ধুদের সঙ্গে মদ্যপান করায় তার হঁশ ছিল না বলেই ঘুমের মধ্যে দমবন্ধ হয় মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে নীলাদ্র্রির বন্ধুদেরও। এর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে নীলাদ্রির বাবা নিশীথ চক্রবর্তী ছেলেকে ডাকতে আসেন। দরজা খুলতে দেখেন নীলাদ্রি অচেতন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ঘর ধোঁয়ায় ভর্তি। সঙ্গে সঙ্গে তাকে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সেখান থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় বাঘাযতীন স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় কাটাপুকুর মর্গে।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, গ্যাস্টিক আলসারের রোগী ছিলেন ওই যুবক। যকৃতেও সমস্যা ছিল। শরীরে অতিরিক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড ঢুকে যাওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে জানা যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

ট্যাগস :

পার্টি শেষে সিগারেট জ্বালিয়ে ঘুম, বৌভাতের দিনেই বরের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১১:৩২:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০

১৩ ডিসেম্বর ২০২০, আজকের মেঘনা. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

বৌভাতের সকালে মিললো বরের লাশ। শনিবার সকালে নিজের ঘর থেকে উদ্ধার হয় নীলাদ্রি চক্রবর্তী (২৬)-র দেহ। ঘটনাটি ঘটেছে নেতাজিনগর থানা এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানিয়েছে, গত ১০ ডিসেম্বর বিয়ে হয় নীলাদ্রির।

শুক্রবার গভীর রাত পর্যন্ত নিজের ঘরেই বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি চলে। শনিবার সকালে তার দেহ উদ্ধার হয় ওই ঘর থেকেই। ধোঁয়ায় ভরা ছিল ঘর। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সিগারেট ধরিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন ওই যুবক। সেখান থেকে কোনো ভাবে বালিশে আগুন লেগে ধোঁয়ায় ভর্তি হয়ে যায় ঘর। বন্ধুদের সঙ্গে মদ্যপান করায় তার হঁশ ছিল না বলেই ঘুমের মধ্যে দমবন্ধ হয় মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে নীলাদ্র্রির বন্ধুদেরও। এর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে নীলাদ্রির বাবা নিশীথ চক্রবর্তী ছেলেকে ডাকতে আসেন। দরজা খুলতে দেখেন নীলাদ্রি অচেতন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ঘর ধোঁয়ায় ভর্তি। সঙ্গে সঙ্গে তাকে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সেখান থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় বাঘাযতীন স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় কাটাপুকুর মর্গে।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, গ্যাস্টিক আলসারের রোগী ছিলেন ওই যুবক। যকৃতেও সমস্যা ছিল। শরীরে অতিরিক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড ঢুকে যাওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে জানা যাচ্ছে।