ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কৃষকের ধান কেটে মাড়াই করে দিচ্ছে ছাত্রলীগ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১ ১৭১ বার পড়া হয়েছে

২৫ এপ্রিল ২০২১,আজকের মেঘনা ডটকম,

ওসমান গনি,
গজারিয়া প্রতিনিধিঃ মুন্সিগঞ্জর গজারিয়া উপজেলা করোনাভাইরাসের দিত্বীয় ধাপ এর কারণে ধান কাটতে না পারা গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের কৃষকদের ধান কেটে মাড়াই করে দিল হোসেন্দী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃতে হোসেন্দী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ। করোনা ২য় ধাপ পরিস্থিতিতে ধান কাটার শ্রমিক না পাওয়ায় বর্তমানে ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরাই কৃষকদের ভরসা। কৃষকের ধান কাটা, বাড়ি নেয়া ও মাড়াই সবই করছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

রবিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল থেকে উপজেলার, হোসেন্দী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ধান কাটা শুরু হয়। তবে দেশের এই সংকটময় মূহূর্তে বিনা পারিশ্রমিকে স্বেচ্ছাশ্রমে কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে পেরে ছাত্রলীগ যেমন খুশি, তেমনি ধান কেটে দেয়ায় খুশি এলাকাবাসী ও কৃষকরাও।

হোসেন্দী ইউনিয়ন ইসমানিরচর গ্রামের মিজানুর রহমান বলেন, ধান কাটার সময় সাধারণত ৪শ থেকে ৫শ টাকা পারিশ্রমিকে শ্রমিক পাওয়া যেত। করোনা পরিস্থিতিতে এক হাজার টাকায়ও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। তাই পাকা ধান নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। কিন্তু আমাদের এই সংকটময় মূহূর্তে বিনা পারিশ্রমিকে স্বেচ্ছাশ্রমে স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ধান কেটে বাড়ি নিয়ে তা মাড়াই করে দিচ্ছে।

হোসেন্দী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সংগ্রাম মোল্লা বলেন, ধান রোপণ ও ধান কাটার সময় কৃষকরা এক ধরনের শ্রমিক সংকটে ভোগেন। করোনা পরিস্থিতিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছি। মিনাল কান্তি দাস এমপির নির্দেশনায় ছাত্রলীগ ধান কাটছে, মাথায় করে বাড়ি নিচ্ছে আবার মাড়াই করছে। এটাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ছাত্রলীগ।

গজারিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোলাইমান বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে গজারিয়ায় শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। শ্রমিক না পাওয়ায় নিজ জমির পাকা ধান কাটতে পারছে না কৃষক। তাই সকাল থেকে হোসেন্দী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে ধান কাটতে সহযোগিতা করছি। এ কার্যক্রম কৃষকরা ধান ঘরে না তোলা পর্যন্ত চলবে বলেও জানান তিনি।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রুবেল বলেন করোনার প্রথম ধাপেও ছাত্রলীগ কৃষকের পাশে ছিল এখন করোনা ভাইরাস এর ২য় ধাপ চলমান এই ধাপে ছাত্রলীগ কৃষকের পাশে থাকবে ইনশাআল্লাহ
উপজেলার অন্তর্গত সকল সাংগঠনিক ইউনিট এবং কর্মী সমর্থকরা নিজ নিজ এলাকায় কৃষকদের ধান কাটা, বাড়ি নেয়া ও মাড়াই করায় সহযোগিতা করবে বলে তিনি জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের প্রশিক্ষণ বিষয়ক উপ-সম্পাদক শোয়াইব আহমেদ রিশাত, গজারিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক শুভ সরদার, সহ স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

ট্যাগস :

কৃষকের ধান কেটে মাড়াই করে দিচ্ছে ছাত্রলীগ

আপডেট সময় : ০৮:২৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১

২৫ এপ্রিল ২০২১,আজকের মেঘনা ডটকম,

ওসমান গনি,
গজারিয়া প্রতিনিধিঃ মুন্সিগঞ্জর গজারিয়া উপজেলা করোনাভাইরাসের দিত্বীয় ধাপ এর কারণে ধান কাটতে না পারা গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের কৃষকদের ধান কেটে মাড়াই করে দিল হোসেন্দী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃতে হোসেন্দী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ। করোনা ২য় ধাপ পরিস্থিতিতে ধান কাটার শ্রমিক না পাওয়ায় বর্তমানে ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরাই কৃষকদের ভরসা। কৃষকের ধান কাটা, বাড়ি নেয়া ও মাড়াই সবই করছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

রবিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল থেকে উপজেলার, হোসেন্দী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ধান কাটা শুরু হয়। তবে দেশের এই সংকটময় মূহূর্তে বিনা পারিশ্রমিকে স্বেচ্ছাশ্রমে কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে পেরে ছাত্রলীগ যেমন খুশি, তেমনি ধান কেটে দেয়ায় খুশি এলাকাবাসী ও কৃষকরাও।

হোসেন্দী ইউনিয়ন ইসমানিরচর গ্রামের মিজানুর রহমান বলেন, ধান কাটার সময় সাধারণত ৪শ থেকে ৫শ টাকা পারিশ্রমিকে শ্রমিক পাওয়া যেত। করোনা পরিস্থিতিতে এক হাজার টাকায়ও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। তাই পাকা ধান নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। কিন্তু আমাদের এই সংকটময় মূহূর্তে বিনা পারিশ্রমিকে স্বেচ্ছাশ্রমে স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ধান কেটে বাড়ি নিয়ে তা মাড়াই করে দিচ্ছে।

হোসেন্দী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সংগ্রাম মোল্লা বলেন, ধান রোপণ ও ধান কাটার সময় কৃষকরা এক ধরনের শ্রমিক সংকটে ভোগেন। করোনা পরিস্থিতিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছি। মিনাল কান্তি দাস এমপির নির্দেশনায় ছাত্রলীগ ধান কাটছে, মাথায় করে বাড়ি নিচ্ছে আবার মাড়াই করছে। এটাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ছাত্রলীগ।

গজারিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোলাইমান বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে গজারিয়ায় শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। শ্রমিক না পাওয়ায় নিজ জমির পাকা ধান কাটতে পারছে না কৃষক। তাই সকাল থেকে হোসেন্দী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে ধান কাটতে সহযোগিতা করছি। এ কার্যক্রম কৃষকরা ধান ঘরে না তোলা পর্যন্ত চলবে বলেও জানান তিনি।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রুবেল বলেন করোনার প্রথম ধাপেও ছাত্রলীগ কৃষকের পাশে ছিল এখন করোনা ভাইরাস এর ২য় ধাপ চলমান এই ধাপে ছাত্রলীগ কৃষকের পাশে থাকবে ইনশাআল্লাহ
উপজেলার অন্তর্গত সকল সাংগঠনিক ইউনিট এবং কর্মী সমর্থকরা নিজ নিজ এলাকায় কৃষকদের ধান কাটা, বাড়ি নেয়া ও মাড়াই করায় সহযোগিতা করবে বলে তিনি জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের প্রশিক্ষণ বিষয়ক উপ-সম্পাদক শোয়াইব আহমেদ রিশাত, গজারিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক শুভ সরদার, সহ স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।