ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দেশে ৭ বছরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১ ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

২৫ এপ্রিল ২০২১,আজকের মেঘনা ডটকম, ডেস্ক রিপোর্ট :

দেশে তাপপ্রবাহে থার্মোমিটারের পারদ চড়তে চড়তে সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে।

রোববার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

২০১৪ সালের পর যশোরের তাপমাত্রাই দেশে সর্বোচ্চ। আর আট বছরের মধ্যে ঢাকায় এদিন ছিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “দেশজুড়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এরমধ্যে বৃষ্টিহীন বৈশাখে সবচেয়ে গরম দিন গেল রোববার। ২০১৪ সালের পর এটা সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড।”

এর আগে ২০১৪ সালে চুয়াডাঙ্গায় ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল। একই বছর ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ৪০ ডিগ্রিতে উঠেছিল।

গত দুই যুগে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস উঠেছিল যশোরে। তার আগে ১৯৯৫ সালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ওঠেছিল ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতে রেকর্ড ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয়েছিল।

থার্মোমিটারের পারদ চড়তে চড়তে যদি ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠে, আবহাওয়াবিদরা তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলেন। উষ্ণতা বেড়ে ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে বলা হয় মাঝারি তাপপ্রবাহ। আর তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গেলে তাকে তীব্র তাপপ্রবাহ ধরা হয়।

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর বলেন, দেশের সবখানে এখন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসেয়াসের মধ্যে।

রাজশাহী, যশোর, কুষ্টিয়া ও খুলনা অঞ্চলের উপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। নেত্রকোনা জেলাসহ খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্টাংশসহ ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর, সিলেট, বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

হাফিজুর বলেন, “এটা অস্বাভাবিক তাপমাত্রা নয়। বৈশাখে বৃষ্টি না থাকায় এমন আবহাওয়া। চলমান এ তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে; রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।”

আগামী ২ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।  চলতি সপ্তাহের শেষে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আভাস রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

ট্যাগস :

দেশে ৭ বছরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২১

২৫ এপ্রিল ২০২১,আজকের মেঘনা ডটকম, ডেস্ক রিপোর্ট :

দেশে তাপপ্রবাহে থার্মোমিটারের পারদ চড়তে চড়তে সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে।

রোববার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

২০১৪ সালের পর যশোরের তাপমাত্রাই দেশে সর্বোচ্চ। আর আট বছরের মধ্যে ঢাকায় এদিন ছিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “দেশজুড়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এরমধ্যে বৃষ্টিহীন বৈশাখে সবচেয়ে গরম দিন গেল রোববার। ২০১৪ সালের পর এটা সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড।”

এর আগে ২০১৪ সালে চুয়াডাঙ্গায় ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল। একই বছর ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ৪০ ডিগ্রিতে উঠেছিল।

গত দুই যুগে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস উঠেছিল যশোরে। তার আগে ১৯৯৫ সালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ওঠেছিল ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতে রেকর্ড ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয়েছিল।

থার্মোমিটারের পারদ চড়তে চড়তে যদি ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠে, আবহাওয়াবিদরা তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলেন। উষ্ণতা বেড়ে ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে বলা হয় মাঝারি তাপপ্রবাহ। আর তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গেলে তাকে তীব্র তাপপ্রবাহ ধরা হয়।

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর বলেন, দেশের সবখানে এখন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসেয়াসের মধ্যে।

রাজশাহী, যশোর, কুষ্টিয়া ও খুলনা অঞ্চলের উপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। নেত্রকোনা জেলাসহ খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্টাংশসহ ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর, সিলেট, বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

হাফিজুর বলেন, “এটা অস্বাভাবিক তাপমাত্রা নয়। বৈশাখে বৃষ্টি না থাকায় এমন আবহাওয়া। চলমান এ তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে; রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।”

আগামী ২ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।  চলতি সপ্তাহের শেষে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আভাস রয়েছে।