ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিনোফার্মের ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০২:৩০:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১ ১৬২ বার পড়া হয়েছে

১৯ জুন ২০২১, আজকের মেঘনা. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

দেশব্যাপী দ্বিতীয় পর্যায়ে চীনের সিনোফার্মের ভ্যাকসিন দিয়ে গণ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শনিবার (১৯ জুন) সকাল থেকে টিকাদান শুরু হয়। দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে কেন্দ্রে সিনোফার্মের টিকা দেওয়া হচ্ছে। আর ঢাকায় সিনোফার্মের টিকা দেওয়া হচ্ছে চার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেগুলো হচ্ছে- ঢাকা মেডিকেল কলেজ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

জানা গেছে, সকালে রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রে অনেকে এসেছেন যারা প্রথম ডোজের টিকা নিতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন। তারা বলছেন, মুগদায় মেডিকেল শিক্ষার্থীদেরকেই টিকা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজন প্রথম ডোজ টিকা নেওয়ার জন্যে আজকের তারিখ উল্লেখিত ম্যাসেজ পেয়েছেন। কিন্তু, সেখানে গিয়ে তাদের ফেরত আসতে হয়েছে।

চীন থেকে উপহার হিসেবে দুই দফায় ১১ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ। শুরুতে এই টিকা শুধু মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছিল। তবে, আজ থেকে এ টিকা দিয়ে গণ টিকাদান কর্মসূচি চলছে। এ ছাড়াও, কোভ্যাক্স প্রকল্পের আওতায় এক লাখ ছয় হাজার ডোজ ফাইজারের টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ।

করোনা মহামারিতে গত ২৯ এপ্রিল বাংলাদেশে জরুরি ব্যবহারের জন্যে চীনের সিনোফার্মের ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ১৮ বছরের ওপরের সবাইকে পর্যায়ক্রমে করোনাভাইরাসের টিকার আওতায় নিয়ে আসার উদ্দেশ্য সামনে রেখে সরকার গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে গণ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। কিন্তু, টিকার স্বল্পতার কারণে গত ২৬ এপ্রিল সরকার প্রথম ডোজ টিকাদান বন্ধের ঘোষণা দেয়। এর সপ্তাহখানেক পর একই কারণে সারাদেশের সবগুলো কেন্দ্রে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়াও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ভারতে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সেরাম ইনস্টিটিউট অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা সরবরাহে ব্যর্থ হলে বালাদেশের টিকাদান কর্মসূচিতে প্রভাব পড়ে। চুক্তি অনুযায়ী, সেরাম থেকে ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশের তিন কোটি ডোজ টিকা পাওয়ার কথা ছিল। জানুয়ারিতে সেরাম প্রথম দফায় ৫০ লাখ ডোজ টিকা সরবরাহ করে। যার মধ্যে ওই মাসে মাত্র ২০ লাখ ডোজের একটি চালান ঢাকায় পৌঁছায়। এরপর সেরাম থেকে বাংলাদেশে আর কোনো চালান আসেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

ট্যাগস :

সিনোফার্মের ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু

আপডেট সময় : ০২:৩০:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১

১৯ জুন ২০২১, আজকের মেঘনা. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

দেশব্যাপী দ্বিতীয় পর্যায়ে চীনের সিনোফার্মের ভ্যাকসিন দিয়ে গণ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শনিবার (১৯ জুন) সকাল থেকে টিকাদান শুরু হয়। দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে কেন্দ্রে সিনোফার্মের টিকা দেওয়া হচ্ছে। আর ঢাকায় সিনোফার্মের টিকা দেওয়া হচ্ছে চার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেগুলো হচ্ছে- ঢাকা মেডিকেল কলেজ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

জানা গেছে, সকালে রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রে অনেকে এসেছেন যারা প্রথম ডোজের টিকা নিতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন। তারা বলছেন, মুগদায় মেডিকেল শিক্ষার্থীদেরকেই টিকা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজন প্রথম ডোজ টিকা নেওয়ার জন্যে আজকের তারিখ উল্লেখিত ম্যাসেজ পেয়েছেন। কিন্তু, সেখানে গিয়ে তাদের ফেরত আসতে হয়েছে।

চীন থেকে উপহার হিসেবে দুই দফায় ১১ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ। শুরুতে এই টিকা শুধু মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছিল। তবে, আজ থেকে এ টিকা দিয়ে গণ টিকাদান কর্মসূচি চলছে। এ ছাড়াও, কোভ্যাক্স প্রকল্পের আওতায় এক লাখ ছয় হাজার ডোজ ফাইজারের টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ।

করোনা মহামারিতে গত ২৯ এপ্রিল বাংলাদেশে জরুরি ব্যবহারের জন্যে চীনের সিনোফার্মের ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ১৮ বছরের ওপরের সবাইকে পর্যায়ক্রমে করোনাভাইরাসের টিকার আওতায় নিয়ে আসার উদ্দেশ্য সামনে রেখে সরকার গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে গণ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। কিন্তু, টিকার স্বল্পতার কারণে গত ২৬ এপ্রিল সরকার প্রথম ডোজ টিকাদান বন্ধের ঘোষণা দেয়। এর সপ্তাহখানেক পর একই কারণে সারাদেশের সবগুলো কেন্দ্রে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়াও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ভারতে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সেরাম ইনস্টিটিউট অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা সরবরাহে ব্যর্থ হলে বালাদেশের টিকাদান কর্মসূচিতে প্রভাব পড়ে। চুক্তি অনুযায়ী, সেরাম থেকে ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশের তিন কোটি ডোজ টিকা পাওয়ার কথা ছিল। জানুয়ারিতে সেরাম প্রথম দফায় ৫০ লাখ ডোজ টিকা সরবরাহ করে। যার মধ্যে ওই মাসে মাত্র ২০ লাখ ডোজের একটি চালান ঢাকায় পৌঁছায়। এরপর সেরাম থেকে বাংলাদেশে আর কোনো চালান আসেনি।