ঢাকা ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাবা-মা-বোনকে হত্যার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হয়েছে: মেহজাবিন

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৮:২৫:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

২০ জুন ২০২১, আজকের মেঘনা. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

রাজধানীর কদমতলীতে মা, বাবা ও বোনকে হত্যার ঘটনায় অনুতপ্ত নন মেহজাবিন ইসলাম মুন। তিনি বলেন, পরিবারের সাথে আমার দ্বন্দ্ব ছিলো। এছাড়া ছোট বোনের সাথে আমার স্বামীর পরকীয়া ছিলো। এ কারণে আমি তাদের হত্যা করি। এ হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান হয়েছে বলে আমি মনে করছি।

রোববার (২০ জুন) আদালত প্রাঙ্গণে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন মেহজাবিন।

এদিকে মা, বাবা ও বোনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় মেহজাবিন ইসলাম মুনের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। দুপুরে মেহজাবিনকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ড নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার পরিদর্শক জাকির হোসেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে রাজধানীর কদমতলীতে একই পরিবারের মা, বাবা ও বোনকে হত্যার ঘটনায় মেহজাবিন ইসলাম মুন ও তার স্বামী শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর বলেন, নিহত মাসুদ রানার বড় ভাই ও আটক মেহজাবিন ইসলাম মুনের বড় চাচা সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে মেহজাবিন ইসলাম মুন ও তার স্বামী শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গতকালই মেহজাবিন ইসলাম মুনকে আটক করে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার স্বামী শফিকুল ইসলাম আহত অবস্থায় ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাকে পুলিশি পাহারায় রাখা হয়েছে। সুস্থ হলে এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

গতকাল পুলিশ জানিয়েছিলো, পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন মেহজাবিন মুন। তিনি তার বাবা মাসুদ রানা (৫০), মা মৌসুমী আক্তার (৪৫) ও বোন জান্নাতুলকে (২০) হত্যা করেন।

শনিবার (১৯ জুন) মা-বাবাসহ ছোট বোনকে হত্যা করে ৯৯৯-এ ফোন দেন মুন নিজেই। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কদমতলীর মুরাদপুর হাজী লাল মিয়া সরকার রোড এলাকা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে। আটক মেহজাবিন থাকেন আলাদা বাসায়। মায়ের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

ট্যাগস :

বাবা-মা-বোনকে হত্যার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হয়েছে: মেহজাবিন

আপডেট সময় : ০৮:২৫:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১

২০ জুন ২০২১, আজকের মেঘনা. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

রাজধানীর কদমতলীতে মা, বাবা ও বোনকে হত্যার ঘটনায় অনুতপ্ত নন মেহজাবিন ইসলাম মুন। তিনি বলেন, পরিবারের সাথে আমার দ্বন্দ্ব ছিলো। এছাড়া ছোট বোনের সাথে আমার স্বামীর পরকীয়া ছিলো। এ কারণে আমি তাদের হত্যা করি। এ হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান হয়েছে বলে আমি মনে করছি।

রোববার (২০ জুন) আদালত প্রাঙ্গণে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন মেহজাবিন।

এদিকে মা, বাবা ও বোনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় মেহজাবিন ইসলাম মুনের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। দুপুরে মেহজাবিনকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ড নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার পরিদর্শক জাকির হোসেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে রাজধানীর কদমতলীতে একই পরিবারের মা, বাবা ও বোনকে হত্যার ঘটনায় মেহজাবিন ইসলাম মুন ও তার স্বামী শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর বলেন, নিহত মাসুদ রানার বড় ভাই ও আটক মেহজাবিন ইসলাম মুনের বড় চাচা সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে মেহজাবিন ইসলাম মুন ও তার স্বামী শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গতকালই মেহজাবিন ইসলাম মুনকে আটক করে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার স্বামী শফিকুল ইসলাম আহত অবস্থায় ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাকে পুলিশি পাহারায় রাখা হয়েছে। সুস্থ হলে এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

গতকাল পুলিশ জানিয়েছিলো, পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন মেহজাবিন মুন। তিনি তার বাবা মাসুদ রানা (৫০), মা মৌসুমী আক্তার (৪৫) ও বোন জান্নাতুলকে (২০) হত্যা করেন।

শনিবার (১৯ জুন) মা-বাবাসহ ছোট বোনকে হত্যা করে ৯৯৯-এ ফোন দেন মুন নিজেই। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কদমতলীর মুরাদপুর হাজী লাল মিয়া সরকার রোড এলাকা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে। আটক মেহজাবিন থাকেন আলাদা বাসায়। মায়ের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।