ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

লকডাউনে পোশাক কারখানা চালু থাকবে

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুন ২০২১ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

২১ জুন ২০২১, আজকের মেঘনা. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

করোনার সংক্রমণ বাড়ায় ঢাকার পার্শ্ববর্তীসাত জেলায় লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। লকডাউন চলাকালে এসব সাত জেলার তৈরি পোশাক কারখানা চালু থাকবে।

সোমবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছে তৈরি পোশাক মালিকদের দুই সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।

বিকেএমইএ সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান গণমাধ্যমকে বলেন, এর আগে করোনার ধরন বোঝা গেলেও এবার কিছুই বুঝতে পারছি না। এটা ভয়ের একটা কারণ বলা যায়। আমাদের এ ভয় থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানাটা আরো কঠোর হয়। শ্রমিক বাঁচলে কারখানা বাঁচবে আবার কারখানা টিকিয়ে রাখতে উৎপাদনও প্রয়োজন। আসছে ঈদে বেতন-বোনাসসহ চলতি মাসের ১৫ দিনের বেতনও দিতে হবে আবার শ্রমিকও বাঁচাতে হবে। সব মিলিয়ে আমরা চেষ্টা করছি আগের মতোই কঠোর স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনের।

বিজিএমইএ পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, আমাদের নতুন করে স্বাস্থ্যবিধি-নিষেধ নিয়ে বলার নেই। আগের মতোই কঠোর স্বাস্থ্যসুরক্ষা ঠিক রেখে উৎপাদনে থাকতে হবে। তাছাড়া আমাদের মনিটরিংও রয়েছে। আমরা স্বাস্থ্যসুরক্ষা শতভাগ মেনেই আগের মতো উৎপাদনে থাকতে চাই। এ বিষয় নিয়ে কোনো কারখানায় কোনো অজুহাত আগেও শোনা হয়নি এখনো হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

ট্যাগস :

লকডাউনে পোশাক কারখানা চালু থাকবে

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুন ২০২১

২১ জুন ২০২১, আজকের মেঘনা. কম, ডেস্ক রিপোর্টঃ

করোনার সংক্রমণ বাড়ায় ঢাকার পার্শ্ববর্তীসাত জেলায় লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। লকডাউন চলাকালে এসব সাত জেলার তৈরি পোশাক কারখানা চালু থাকবে।

সোমবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছে তৈরি পোশাক মালিকদের দুই সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।

বিকেএমইএ সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান গণমাধ্যমকে বলেন, এর আগে করোনার ধরন বোঝা গেলেও এবার কিছুই বুঝতে পারছি না। এটা ভয়ের একটা কারণ বলা যায়। আমাদের এ ভয় থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানাটা আরো কঠোর হয়। শ্রমিক বাঁচলে কারখানা বাঁচবে আবার কারখানা টিকিয়ে রাখতে উৎপাদনও প্রয়োজন। আসছে ঈদে বেতন-বোনাসসহ চলতি মাসের ১৫ দিনের বেতনও দিতে হবে আবার শ্রমিকও বাঁচাতে হবে। সব মিলিয়ে আমরা চেষ্টা করছি আগের মতোই কঠোর স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনের।

বিজিএমইএ পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, আমাদের নতুন করে স্বাস্থ্যবিধি-নিষেধ নিয়ে বলার নেই। আগের মতোই কঠোর স্বাস্থ্যসুরক্ষা ঠিক রেখে উৎপাদনে থাকতে হবে। তাছাড়া আমাদের মনিটরিংও রয়েছে। আমরা স্বাস্থ্যসুরক্ষা শতভাগ মেনেই আগের মতো উৎপাদনে থাকতে চাই। এ বিষয় নিয়ে কোনো কারখানায় কোনো অজুহাত আগেও শোনা হয়নি এখনো হবে না।