ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুবিতে ‘গম্ভীরা’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত 

নাজনীন আক্তার,কুবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ ২০২২ ২৭৪ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের উদ্যোগে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৫ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

 

অনুষ্ঠানে ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মােঃ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মােঃ আসাদুজ্জামান, এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে নবীনদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত গম্ভীরা সংগীতসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি সংগঠনগুলোর পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।

 

আলোচনা সভায় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আমাদের প্রত্যেকের পিতা মাতাই তার সন্তানদের নিয়ে একটা স্বপ্ন দেখেন। নিজের স্বপ্নের সাথে মিলিয়ে আমাদের বাবা মায়েদের সেই স্বপ্নটা যেন পূরন হয় সেই চেষ্টা করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সময়টা জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। এটাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে।

 

বিশেষ অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বক্তব্যে নবীনদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি জায়গা যেখানে ঢুকার জন্য অনেক রাস্তা আছে, কিন্তু বের হওয়ার কোন রাস্তা নাই। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় তোমার জন্য তেমনই একটি পরিবার যেখান থেকে তুমি আমৃত্যু থেকে যাবে।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এফ. এম. আবদুল মঈন বলেন, আমি এসে প্রথমে ফোকাস করেছি একটি একাডেমিক পরিবেশ তৈরী করতে। এখানে শিক্ষা, শিক্ষকতা এবং গবেষণা হবে। এজন্য কোষাধ্যক্ষকে গবেষণা ক্ষেত্রে বাজেট বৃদ্ধি করতে বলেছি। যা ব্যয় হবে দেশি বিদেশি বিভিন্ন কনফারেন্স সেমিনারে। একটি উদ্দেশ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন। আমার উদ্দেশ্য হলো আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রথম সারিতে নিয়ে যেতে চাই।

 

তিনি নবীনদের উদ্দেশ্যে বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয় তোমাদের। পড়াশোনা ও গবেষণার মাধ্যমে তোমরা নিজেদের বিকশিত কর। আমি চাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পর্যায়ে যাবে, নেতৃত্ব দিবে।

 

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, বিভাগীয় প্রধান, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শাখা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠান আয়োজনে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন অনুপ্রাস কন্ঠ-চর্চা কেন্দ্র ও প্রতিবর্তন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

কুবিতে ‘গম্ভীরা’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত 

আপডেট সময় : ১১:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ ২০২২

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের উদ্যোগে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৫ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

 

অনুষ্ঠানে ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মােঃ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মােঃ আসাদুজ্জামান, এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে নবীনদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত গম্ভীরা সংগীতসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি সংগঠনগুলোর পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।

 

আলোচনা সভায় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আমাদের প্রত্যেকের পিতা মাতাই তার সন্তানদের নিয়ে একটা স্বপ্ন দেখেন। নিজের স্বপ্নের সাথে মিলিয়ে আমাদের বাবা মায়েদের সেই স্বপ্নটা যেন পূরন হয় সেই চেষ্টা করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সময়টা জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। এটাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে।

 

বিশেষ অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বক্তব্যে নবীনদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি জায়গা যেখানে ঢুকার জন্য অনেক রাস্তা আছে, কিন্তু বের হওয়ার কোন রাস্তা নাই। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় তোমার জন্য তেমনই একটি পরিবার যেখান থেকে তুমি আমৃত্যু থেকে যাবে।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এফ. এম. আবদুল মঈন বলেন, আমি এসে প্রথমে ফোকাস করেছি একটি একাডেমিক পরিবেশ তৈরী করতে। এখানে শিক্ষা, শিক্ষকতা এবং গবেষণা হবে। এজন্য কোষাধ্যক্ষকে গবেষণা ক্ষেত্রে বাজেট বৃদ্ধি করতে বলেছি। যা ব্যয় হবে দেশি বিদেশি বিভিন্ন কনফারেন্স সেমিনারে। একটি উদ্দেশ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন। আমার উদ্দেশ্য হলো আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রথম সারিতে নিয়ে যেতে চাই।

 

তিনি নবীনদের উদ্দেশ্যে বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয় তোমাদের। পড়াশোনা ও গবেষণার মাধ্যমে তোমরা নিজেদের বিকশিত কর। আমি চাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পর্যায়ে যাবে, নেতৃত্ব দিবে।

 

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, বিভাগীয় প্রধান, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শাখা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠান আয়োজনে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন অনুপ্রাস কন্ঠ-চর্চা কেন্দ্র ও প্রতিবর্তন।