ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঠান্ডাজনিত রোগ: কাবু শিশু ও বয়স্করা

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১২:০৩:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২৫ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেড়েছে জ্বর ও ঠান্ডাজনিত রোগ। একই পরিবারের একাধিক সদস্যরাও এতে আক্রান্ত হচ্ছেন। দিন এবং রাতের তাপমাত্রার ব্যবধানের কারণে ঠান্ডা, কাশি ও জ্বরের প্রকোপ বেড়েছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

তারা বলছেন, জ্বর হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ঠান্ডাজনিত সমস্যা একজন থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়াচ্ছে। আক্রান্তদের শরীরে তিন থেকে সাতদিন জ্বর, সর্দি ও কাশির তীব্রতা থাকছে। এসব আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি।

অধ্যাপক ডা. ফরহাদ মনজুর বলেন, দিন ও রাতের তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে এসব ভাইরাসজনিত জ্বর হচ্ছে। এই জ্বর হাঁচি-কাশির মাধ্যমে একজন থেকে অন্যজনে ছড়াচ্ছে। তবে তিনদিনের বেশি জ্বর থাকলে অবহেলা না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত বলেও জানান এই চিকিৎসক।

 

তিনি বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে কিছু রুটিন পরীক্ষা করানো দরকার। বর্তমানে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন অনেক। এছাড়া ডেঙ্গুও পুরোপুরি যায়নি। বিশেষত, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তিদের ব্যাপারে সবাইকে বেশি করে সচেতন হওয়া উচিত।

ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে প্রতিদিন রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এসব হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগে রোগীদের ভিড় অনেক বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি ভিড় হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে। হাসপাতালগুলোর তথ্যে জানা যায়, অন্য সময়ের তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ২৫ শতাংশ। যার বেশিরভাগই কাশি-জ্বর ও ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে আসছেন। এসব রোগীদের মধ্যে আবার বয়স্ক ও শিশুদের সংখ্যাই বেশি।

হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি ওষুধের দোকানেও বেড়েছে ঠান্ডা-জ্বর-সর্দির ওষুধ বিক্রয়।

রাজধানীর গ্রিনরোড এলাকার একাধিক ফার্মেসিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বেশ কিছুদিন ধরে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে মোনাস, ফেক্সো বা এজাতীয় ওষুধ। ঠান্ডা-কাশ-জ্বরের জন্য প্যারাসিটামলজাতীয় ওষুধ নাপা, এইস ও সর্দির ওষুধ বিক্রি অনেক বেড়েছে।

গ্রিনরোড এলাকার উপশম ফার্মেসির বিক্রয় প্রতিনিধি সোহেল রানা জানান, শীতের সময়ের তুলনায় এখন জ্বর ও ঠান্ডাজনিত রোগের ওষুধ বেশি বিক্রি হচ্ছ। এখন না শীত, না গরম। এসময় ঠান্ডা ও গরমের কারণে জ্বর-সর্দির মতো অসুখ বেড়ে যায়।

গত সপ্তাহ থেকে রোগী বেড়েছে। বেশিরভাগই জ্বর, ঠান্ডা-কাশি, ডায়রিয়া, অ্যাজমা, হাঁপানি, নিউমোনিয়া, ব্রংকিওলাইটিস ও শ্বাসকষ্টের রোগী। অনেকের চর্মরোগের সমস্যাও অনেক বেড়েছে।  কমসংখ্যক করোনা রোগীও পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান আদদ্বীন হাসপাতালের ডা. ফৌজিয়া ইয়াসমিন।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের বহির্বিভাগ সূত্র জানা গেছে, অন্য সময়ে প্রতিদিন রোগী আসে গড়ে ৮০০ থেকে ৯০০ জন। বর্তমানে সে সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২০০ থেকে ১৩০০ জন। এত রোগীর চিকিৎসা সেবা দিতে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা হিমশিম খাচ্ছেন।

 

চার বছরের সুমনাকে কোলে নিয়ে সিরিয়ালের অপেক্ষা করছিলেন শ্যামলী থেকে আসা বাবা-মা। হাসপাতালের বহির্বিভাগে অতিরিক্ত ভিড় দেখে সিরিয়াল একটু বাইরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন সুমনার বাবা। তিনি জানান, তাদের একমাত্র কন্যা সুমনার চার দিন ধরে জ্বর। ভেবেছিলেন সাধারণ জ্বর, দু-একদিনেই সেরে যাবে। জ্বরের সিরাপ খাওয়ানোর পরও জ্বর কমেনি, বরং দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন।

হাসপাতালটির চিকিৎসক ডা. হাসান আল মামুন জানান, সকাল থেকে টানা দুপুর একটা পর্যন্ত রোগী দেখেছেন। এর মধ্যে তিনি একাই প্রায় ১০০ রোগী দেখেছেন। গত সপ্তাহ খানেক থেকে রোগী বাড়ছে। এসব রোগীদের মধ্যে বেশিরভাগই জ্বর, ঠান্ডা-কাশি, ডায়রিয়া, অ্যাজমা, হাঁপানি, নিউমোনিয়া, ও শ্বাসকষ্টের রোগী।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগের তথ্যমতে জানা যায়, অন্য সময় গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ রোগী আসলেও বর্তমানে তা হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ রোগীই জ্বর, ঠান্ডা ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের আউটডোরে আসছেন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসব রোগীরা আসছেন বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।

শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. তাহমিনা বেগম বলেন, দিনে গরম এবং রাতে ঠান্ডা। তাপমাত্রার এমন তারতম্যের কারণে ভাইরাসজনিত জ্বর বেশি হচ্ছে। এই জ্বর হাঁচি-কাশির মাধ্যমে একজন থেকে অন্যজনে ছড়াচ্ছে। তিনদিনের বেশি কারো জ্বর থাকলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিশেষত, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও ক্রনিক রোগীদের বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন হওয়া উচিত।

শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. এনামুল হক বলেন, ১০১ ডিগ্রি জ্বরের সঙ্গে কোনো রোগীর ঘাড় বা শরীরে ব্যথা, উচ্চ তাপমাত্রা, বমি করা, খাবার খেতে না পারা, তিনদিনের বেশি জ্বর থাকা, বিশেষ করে রাতে জ্বর আসা, শরীরে র‌্যাশ বের হওয়া, চোখ শুকিয়ে যাওয়া ও খিঁচুনি হওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিলে দেরি বা অবহেলা না করে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

ঠান্ডাজনিত রোগ: কাবু শিশু ও বয়স্করা

আপডেট সময় : ১২:০৩:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেড়েছে জ্বর ও ঠান্ডাজনিত রোগ। একই পরিবারের একাধিক সদস্যরাও এতে আক্রান্ত হচ্ছেন। দিন এবং রাতের তাপমাত্রার ব্যবধানের কারণে ঠান্ডা, কাশি ও জ্বরের প্রকোপ বেড়েছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

তারা বলছেন, জ্বর হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ঠান্ডাজনিত সমস্যা একজন থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়াচ্ছে। আক্রান্তদের শরীরে তিন থেকে সাতদিন জ্বর, সর্দি ও কাশির তীব্রতা থাকছে। এসব আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি।

অধ্যাপক ডা. ফরহাদ মনজুর বলেন, দিন ও রাতের তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে এসব ভাইরাসজনিত জ্বর হচ্ছে। এই জ্বর হাঁচি-কাশির মাধ্যমে একজন থেকে অন্যজনে ছড়াচ্ছে। তবে তিনদিনের বেশি জ্বর থাকলে অবহেলা না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত বলেও জানান এই চিকিৎসক।

 

তিনি বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে কিছু রুটিন পরীক্ষা করানো দরকার। বর্তমানে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন অনেক। এছাড়া ডেঙ্গুও পুরোপুরি যায়নি। বিশেষত, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তিদের ব্যাপারে সবাইকে বেশি করে সচেতন হওয়া উচিত।

ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে প্রতিদিন রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এসব হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগে রোগীদের ভিড় অনেক বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি ভিড় হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে। হাসপাতালগুলোর তথ্যে জানা যায়, অন্য সময়ের তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ২৫ শতাংশ। যার বেশিরভাগই কাশি-জ্বর ও ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে আসছেন। এসব রোগীদের মধ্যে আবার বয়স্ক ও শিশুদের সংখ্যাই বেশি।

হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি ওষুধের দোকানেও বেড়েছে ঠান্ডা-জ্বর-সর্দির ওষুধ বিক্রয়।

রাজধানীর গ্রিনরোড এলাকার একাধিক ফার্মেসিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বেশ কিছুদিন ধরে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে মোনাস, ফেক্সো বা এজাতীয় ওষুধ। ঠান্ডা-কাশ-জ্বরের জন্য প্যারাসিটামলজাতীয় ওষুধ নাপা, এইস ও সর্দির ওষুধ বিক্রি অনেক বেড়েছে।

গ্রিনরোড এলাকার উপশম ফার্মেসির বিক্রয় প্রতিনিধি সোহেল রানা জানান, শীতের সময়ের তুলনায় এখন জ্বর ও ঠান্ডাজনিত রোগের ওষুধ বেশি বিক্রি হচ্ছ। এখন না শীত, না গরম। এসময় ঠান্ডা ও গরমের কারণে জ্বর-সর্দির মতো অসুখ বেড়ে যায়।

গত সপ্তাহ থেকে রোগী বেড়েছে। বেশিরভাগই জ্বর, ঠান্ডা-কাশি, ডায়রিয়া, অ্যাজমা, হাঁপানি, নিউমোনিয়া, ব্রংকিওলাইটিস ও শ্বাসকষ্টের রোগী। অনেকের চর্মরোগের সমস্যাও অনেক বেড়েছে।  কমসংখ্যক করোনা রোগীও পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান আদদ্বীন হাসপাতালের ডা. ফৌজিয়া ইয়াসমিন।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের বহির্বিভাগ সূত্র জানা গেছে, অন্য সময়ে প্রতিদিন রোগী আসে গড়ে ৮০০ থেকে ৯০০ জন। বর্তমানে সে সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২০০ থেকে ১৩০০ জন। এত রোগীর চিকিৎসা সেবা দিতে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা হিমশিম খাচ্ছেন।

 

চার বছরের সুমনাকে কোলে নিয়ে সিরিয়ালের অপেক্ষা করছিলেন শ্যামলী থেকে আসা বাবা-মা। হাসপাতালের বহির্বিভাগে অতিরিক্ত ভিড় দেখে সিরিয়াল একটু বাইরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন সুমনার বাবা। তিনি জানান, তাদের একমাত্র কন্যা সুমনার চার দিন ধরে জ্বর। ভেবেছিলেন সাধারণ জ্বর, দু-একদিনেই সেরে যাবে। জ্বরের সিরাপ খাওয়ানোর পরও জ্বর কমেনি, বরং দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন।

হাসপাতালটির চিকিৎসক ডা. হাসান আল মামুন জানান, সকাল থেকে টানা দুপুর একটা পর্যন্ত রোগী দেখেছেন। এর মধ্যে তিনি একাই প্রায় ১০০ রোগী দেখেছেন। গত সপ্তাহ খানেক থেকে রোগী বাড়ছে। এসব রোগীদের মধ্যে বেশিরভাগই জ্বর, ঠান্ডা-কাশি, ডায়রিয়া, অ্যাজমা, হাঁপানি, নিউমোনিয়া, ও শ্বাসকষ্টের রোগী।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগের তথ্যমতে জানা যায়, অন্য সময় গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ রোগী আসলেও বর্তমানে তা হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ রোগীই জ্বর, ঠান্ডা ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের আউটডোরে আসছেন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসব রোগীরা আসছেন বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।

শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. তাহমিনা বেগম বলেন, দিনে গরম এবং রাতে ঠান্ডা। তাপমাত্রার এমন তারতম্যের কারণে ভাইরাসজনিত জ্বর বেশি হচ্ছে। এই জ্বর হাঁচি-কাশির মাধ্যমে একজন থেকে অন্যজনে ছড়াচ্ছে। তিনদিনের বেশি কারো জ্বর থাকলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিশেষত, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও ক্রনিক রোগীদের বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন হওয়া উচিত।

শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. এনামুল হক বলেন, ১০১ ডিগ্রি জ্বরের সঙ্গে কোনো রোগীর ঘাড় বা শরীরে ব্যথা, উচ্চ তাপমাত্রা, বমি করা, খাবার খেতে না পারা, তিনদিনের বেশি জ্বর থাকা, বিশেষ করে রাতে জ্বর আসা, শরীরে র‌্যাশ বের হওয়া, চোখ শুকিয়ে যাওয়া ও খিঁচুনি হওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিলে দেরি বা অবহেলা না করে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিতে হবে।